শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:২৭ অপরাহ্ন২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নোটিশঃ
ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। নাগরিক আইটি থেকে কম মূল্যে ওয়েবসাইট বানাতে আজই যোগাযোগ করুন। কল করুন- ০১৫২১ ৪৩৮৬০১
সংবাদ শিরোনাম :
জগন্নাথপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী আব্দুল মতিন লাকী দেশে আসছেন ১০ ডিসেম্বর বামিংহামে করোনা দূর্যোগে খাবার বিতরণ করেন আলহাজ্ব কবির উদ্দিন ও ওয়াছিমুজ্জামান ছাতকে মধ্যরাতে জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ-গ্রেপ্তার ১ সুনামগঞ্জে সহকারী শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে হারিছ উদ্দিনের স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে মৎস্যজীবি লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন আন্দোলন ফোরামের সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীরা বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবীতে কর্মবিরতি পালন নাজমুল হকের অকাল মৃত্যুতে নারী নেত্রী ফেরদৌস আরা পাখি”র শোক ও সমবেদনা দিরাই উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে মত বিনিময় করেন ডক্টর সামছুল হক চৌধুরী মাদ্রাসা উন্নয়নে নগদ অর্থ প্রদান করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবু বক্কর খাঁন
গাদ্দাফির শাসনকালে কেমন ছিল লিবিয়ার জীবন?

গাদ্দাফির শাসনকালে কেমন ছিল লিবিয়ার জীবন?

এক রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানে ১৯৬৯ সালের সেপ্টেম্বরে লিবিয়ার ক্ষমতা দখল করেছিলেন ক্যাপ্টেন মুয়াম্মার গাদ্দাফি এবং আরো কিছু তরুণ সামরিক কর্মকর্তা। রাজাকে উৎখাত করে দেশটিকে একটি প্রজাতন্ত্র বলে ঘোষণা করেছিলেন তারা।

পরবর্তী ৪২ বছরে এই গাদ্দাফিই কঠোর হাতে তার বিরোধীদের দমন করে হয়ে উঠেছিলেন লিবিয়ার একচ্ছত্র স্বৈরশাসক।

গাদ্দাফি-বিরোধীদের একজন ছিলেন জাবালা মাতার – দেশ ছেড়ে পালালেও তাকে শেষ পর্যন্ত গাদ্দাফি বিরোধিতার জন্য চরম মূল্য দিতে হয়েছিল তাকে। তার পুত্র হিশাম মাতার এখন একজন খ্যাতনামা লেখক । তারই সাথে কথা বলেছেন বিবিসির লুইস হিদালগো, শুনতে চেয়েছেন গাদ্দাফির শাসনাধীন লিবিয়ায় তার বেড়ে ওঠার গল্প।

“লিবিয়ায় বিপ্লব হবার পর প্রথম দিনগুলোতে এ ব্যাপারে মানুষের প্রতিক্রিয়া ছিল ইতিবাচক” – বলছিলেন হিশাম মাতার।

“আমার বাবা তখন ছিলেন তরুণ এবং রাজতন্ত্রবিরোধী, তাই তিনি রাজাকে সম্মান এবং পছন্দ করলেও লিবিয়া যে একটি প্রজাতন্ত্র হতে যাচ্ছে, এতে তিনি উল্লসিত ছিলেন। অবশ্যই প্রজাতন্ত্র বলতে তিনি বুঝতেন আধুনিকতা, পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র, এবং আইনের শাসন।”

হিশামের বাবা ছিলেন সেনাবাহিনীর একজন কর্ণেল।

পরবর্তী ৪২ বছরে এই গাদ্দাফিই কঠোর হাতে তার বিরোধীদের দমন করে হয়ে উঠেছিলেন লিবিয়ার একচ্ছত্র স্বৈরশাসক।

গাদ্দাফি-বিরোধীদের একজন ছিলেন জাবালা মাতার – দেশ ছেড়ে পালালেও তাকে শেষ পর্যন্ত গাদ্দাফি বিরোধিতার জন্য চরম মূল্য দিতে হয়েছিল তাকে। তার পুত্র হিশাম মাতার এখন একজন খ্যাতনামা লেখক । তারই সাথে কথা বলেছেন বিবিসির লুইস হিদালগো, শুনতে চেয়েছেন গাদ্দাফির শাসনাধীন লিবিয়ায় তার বেড়ে ওঠার গল্প।

“লিবিয়ায় বিপ্লব হবার পর প্রথম দিনগুলোতে এ ব্যাপারে মানুষের প্রতিক্রিয়া ছিল ইতিবাচক” – বলছিলেন হিশাম মাতার।

“আমার বাবা তখন ছিলেন তরুণ এবং রাজতন্ত্রবিরোধী, তাই তিনি রাজাকে সম্মান এবং পছন্দ করলেও লিবিয়া যে একটি প্রজাতন্ত্র হতে যাচ্ছে, এতে তিনি উল্লসিত ছিলেন। অবশ্যই প্রজাতন্ত্র বলতে তিনি বুঝতেন আধুনিকতা, পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র, এবং আইনের শাসন।”

হিশামের বাবা ছিলেন সেনাবাহিনীর একজন কর্ণেল।

যখন অভ্যুত্থানের খবর বেরোয়, তিনি তখন লন্ডনে লিবিয়ার দূতাবাসে কাজ করতেন। তিনি দেশে ফিরে আসার পর তাকে এবং আরো অনেক সিনিয়র অফিসারকে গ্রেফতার করলো নতুন শাসকরা।

“তবে আমার বাবা বুঝতে পেরেছিলেন কেন এটা করা হচ্ছে। কারণ অভ্যুত্থানের পর এমনটা হওয়া স্বাভাবিক। ছয় মাস পর তাদের মুক্তি দেয়া হলো।”

“এর পরের দু-তিন বছরের মধ্যে অর্থাৎ ১৯৭২ সাল নাগাদ এটা আমার বাবার কাছে স্পষ্ট হয়ে গেল যে নতুন শাসকদের মানুষের অধিকার এবং বিচার বিভাগের প্রতি কোন সম্মানবোধ নেই। বিশেষ করে যারা তাদের সমালোচক তাদের প্রতি তো নয়ই।”

লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির স্বৈরশাসনের সেই ছিল সূচনা।

“তারা মনে করতো এ মুহুর্তটা অন্য যে কোন ঐতিহাসিক মুহুর্তের মতোই – যাতে অতীতের লক্ষণগুলো সব দৃশ্যমান থাকে।”

“লিবিয়ায় ঔপনিবেশিক শাসনের যে অভিজ্ঞতা তা ছিল ভয়াবহ। যেখানে অসংখ্য লোককে হত্যা করা হয়েছে, অনেকের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে প্রকাশ্যে। ”

“গাদ্দাফির সময়ও – আগের চেয়ে কম সংখ্যায় হলেও – ঠিক একইভাবে প্রকাশ্যে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হতো।”

জেল থেকে মুক্তি পাবার পর হিশামের বাবাকে জাতিসংঘে চাকরি দিয়ে পাঠানো হলো। এর পরের বছর হিশামের জন্ম হয় নিউইয়র্কেই। ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত তারা সেখানেই ছিলেন। এর পর মি. মাতার পদত্যাগ করেন এবং স্ত্রী ও দুই পুত্রসহ লিবিয়ায় ফিরে আসেন।

কেন তিনি দেশে ফিরে এসেছিলেন?

“আমার মনে আমার বাবা বুঝেছিলেন যে নতুন এই শাসকগোষ্ঠী এতই খারাপ যে এদের পক্ষ নিয়ে কাজ করা যায় না। কিন্তু তারা তখনও এতটা খারাপ ছিল না যে স্ত্রী-পুত্র নিয়ে দেশে ফিরে এসে বসবাস করা যাবে না।”

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
©সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT