শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন২৭শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নোটিশঃ
ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। নাগরিক আইটি থেকে কম মূল্যে ওয়েবসাইট বানাতে আজই যোগাযোগ করুন। কল করুন- ০১৫২১ ৪৩৮৬০১
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের উদ্যোগে ৫০টি পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ তাহিরপুর থানা পুলিশের উদ্যোগে ত্রান সামগ্রী বিতরন-নিউ টাইমস্২৪ করোনা প্রতিরোধে হুরয়ার কান্দা গ্রামে সচেতনতা সৃষ্টি -নিউ টাইমস্২৪ সকল নাগরিকের পানির বিল মওকুফ করলাম আপনারা সকল বাড়ি ভাড়া মওকুফ করুন-মেয়র নাদের বখত বিনামূল্যে সেবার জন্য এম্বুলেন্স প্রদান করেন ব্যারিষ্টার এম এনামুল কবির ইমন- নিউ টাইমর্স২৪ আব্দুল মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ ফাঁসির রায় কার্যকরে সমস্যা নেই-নিউ টাইমস্২৪ ডিসি,পুলিশ সুপার,সিভিল সার্জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে-নিউ টাইমস্২৪ সৌদি আরবে ঘুমন্ত অবস্থায় ৪ বাংলাদেশীর মৃত্যু-নিউ টাইমস্২৪ যুক্তরাজ্যে করোনায় তিন বাংলাদেশীর মৃত্যু-নিউ টাইমস্২৪ জেলায় কমপক্ষে তিনটি যানবাহন প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা-নিউ টাইমস্২৪
গাদ্দাফির শাসনকালে কেমন ছিল লিবিয়ার জীবন?

গাদ্দাফির শাসনকালে কেমন ছিল লিবিয়ার জীবন?

এক রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানে ১৯৬৯ সালের সেপ্টেম্বরে লিবিয়ার ক্ষমতা দখল করেছিলেন ক্যাপ্টেন মুয়াম্মার গাদ্দাফি এবং আরো কিছু তরুণ সামরিক কর্মকর্তা। রাজাকে উৎখাত করে দেশটিকে একটি প্রজাতন্ত্র বলে ঘোষণা করেছিলেন তারা।

পরবর্তী ৪২ বছরে এই গাদ্দাফিই কঠোর হাতে তার বিরোধীদের দমন করে হয়ে উঠেছিলেন লিবিয়ার একচ্ছত্র স্বৈরশাসক।

গাদ্দাফি-বিরোধীদের একজন ছিলেন জাবালা মাতার – দেশ ছেড়ে পালালেও তাকে শেষ পর্যন্ত গাদ্দাফি বিরোধিতার জন্য চরম মূল্য দিতে হয়েছিল তাকে। তার পুত্র হিশাম মাতার এখন একজন খ্যাতনামা লেখক । তারই সাথে কথা বলেছেন বিবিসির লুইস হিদালগো, শুনতে চেয়েছেন গাদ্দাফির শাসনাধীন লিবিয়ায় তার বেড়ে ওঠার গল্প।

“লিবিয়ায় বিপ্লব হবার পর প্রথম দিনগুলোতে এ ব্যাপারে মানুষের প্রতিক্রিয়া ছিল ইতিবাচক” – বলছিলেন হিশাম মাতার।

“আমার বাবা তখন ছিলেন তরুণ এবং রাজতন্ত্রবিরোধী, তাই তিনি রাজাকে সম্মান এবং পছন্দ করলেও লিবিয়া যে একটি প্রজাতন্ত্র হতে যাচ্ছে, এতে তিনি উল্লসিত ছিলেন। অবশ্যই প্রজাতন্ত্র বলতে তিনি বুঝতেন আধুনিকতা, পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র, এবং আইনের শাসন।”

হিশামের বাবা ছিলেন সেনাবাহিনীর একজন কর্ণেল।

পরবর্তী ৪২ বছরে এই গাদ্দাফিই কঠোর হাতে তার বিরোধীদের দমন করে হয়ে উঠেছিলেন লিবিয়ার একচ্ছত্র স্বৈরশাসক।

গাদ্দাফি-বিরোধীদের একজন ছিলেন জাবালা মাতার – দেশ ছেড়ে পালালেও তাকে শেষ পর্যন্ত গাদ্দাফি বিরোধিতার জন্য চরম মূল্য দিতে হয়েছিল তাকে। তার পুত্র হিশাম মাতার এখন একজন খ্যাতনামা লেখক । তারই সাথে কথা বলেছেন বিবিসির লুইস হিদালগো, শুনতে চেয়েছেন গাদ্দাফির শাসনাধীন লিবিয়ায় তার বেড়ে ওঠার গল্প।

“লিবিয়ায় বিপ্লব হবার পর প্রথম দিনগুলোতে এ ব্যাপারে মানুষের প্রতিক্রিয়া ছিল ইতিবাচক” – বলছিলেন হিশাম মাতার।

“আমার বাবা তখন ছিলেন তরুণ এবং রাজতন্ত্রবিরোধী, তাই তিনি রাজাকে সম্মান এবং পছন্দ করলেও লিবিয়া যে একটি প্রজাতন্ত্র হতে যাচ্ছে, এতে তিনি উল্লসিত ছিলেন। অবশ্যই প্রজাতন্ত্র বলতে তিনি বুঝতেন আধুনিকতা, পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র, এবং আইনের শাসন।”

হিশামের বাবা ছিলেন সেনাবাহিনীর একজন কর্ণেল।

যখন অভ্যুত্থানের খবর বেরোয়, তিনি তখন লন্ডনে লিবিয়ার দূতাবাসে কাজ করতেন। তিনি দেশে ফিরে আসার পর তাকে এবং আরো অনেক সিনিয়র অফিসারকে গ্রেফতার করলো নতুন শাসকরা।

“তবে আমার বাবা বুঝতে পেরেছিলেন কেন এটা করা হচ্ছে। কারণ অভ্যুত্থানের পর এমনটা হওয়া স্বাভাবিক। ছয় মাস পর তাদের মুক্তি দেয়া হলো।”

“এর পরের দু-তিন বছরের মধ্যে অর্থাৎ ১৯৭২ সাল নাগাদ এটা আমার বাবার কাছে স্পষ্ট হয়ে গেল যে নতুন শাসকদের মানুষের অধিকার এবং বিচার বিভাগের প্রতি কোন সম্মানবোধ নেই। বিশেষ করে যারা তাদের সমালোচক তাদের প্রতি তো নয়ই।”

লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির স্বৈরশাসনের সেই ছিল সূচনা।

“তারা মনে করতো এ মুহুর্তটা অন্য যে কোন ঐতিহাসিক মুহুর্তের মতোই – যাতে অতীতের লক্ষণগুলো সব দৃশ্যমান থাকে।”

“লিবিয়ায় ঔপনিবেশিক শাসনের যে অভিজ্ঞতা তা ছিল ভয়াবহ। যেখানে অসংখ্য লোককে হত্যা করা হয়েছে, অনেকের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে প্রকাশ্যে। ”

“গাদ্দাফির সময়ও – আগের চেয়ে কম সংখ্যায় হলেও – ঠিক একইভাবে প্রকাশ্যে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হতো।”

জেল থেকে মুক্তি পাবার পর হিশামের বাবাকে জাতিসংঘে চাকরি দিয়ে পাঠানো হলো। এর পরের বছর হিশামের জন্ম হয় নিউইয়র্কেই। ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত তারা সেখানেই ছিলেন। এর পর মি. মাতার পদত্যাগ করেন এবং স্ত্রী ও দুই পুত্রসহ লিবিয়ায় ফিরে আসেন।

কেন তিনি দেশে ফিরে এসেছিলেন?

“আমার মনে আমার বাবা বুঝেছিলেন যে নতুন এই শাসকগোষ্ঠী এতই খারাপ যে এদের পক্ষ নিয়ে কাজ করা যায় না। কিন্তু তারা তখনও এতটা খারাপ ছিল না যে স্ত্রী-পুত্র নিয়ে দেশে ফিরে এসে বসবাস করা যাবে না।”

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
©সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT