শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:৫৯ অপরাহ্ন১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নোটিশঃ
ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। নাগরিক আইটি থেকে কম মূল্যে ওয়েবসাইট বানাতে আজই যোগাযোগ করুন। কল করুন- ০১৫২১ ৪৩৮৬০১
সংবাদ শিরোনাম :
বামিংহামে করোনা দূর্যোগে খাবার বিতরণ করেন আলহাজ্ব কবির উদ্দিন ও ওয়াছিমুজ্জামান ছাতকে মধ্যরাতে জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ-গ্রেপ্তার ১ সুনামগঞ্জে সহকারী শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে হারিছ উদ্দিনের স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে মৎস্যজীবি লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন আন্দোলন ফোরামের সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীরা বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবীতে কর্মবিরতি পালন নাজমুল হকের অকাল মৃত্যুতে নারী নেত্রী ফেরদৌস আরা পাখি”র শোক ও সমবেদনা দিরাই উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে মত বিনিময় করেন ডক্টর সামছুল হক চৌধুরী মাদ্রাসা উন্নয়নে নগদ অর্থ প্রদান করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবু বক্কর খাঁন সার্চ মানবাধিকার সংগঠনের উদ্যোগে ড. সামছুল হক চৌধুরী ও আবু বক্কর খাঁনকে সংবর্ধনা প্রদান
তাহিরপুরে সাংসদ রতনের ত্রাণ না পেয়ে জনমনে হতাশা-নিউ টাইমস্২৪

তাহিরপুরে সাংসদ রতনের ত্রাণ না পেয়ে জনমনে হতাশা-নিউ টাইমস্২৪

তাহিরপুর প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে সুনামগঞ্জ ১ আসনের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নির্বাচনী এলাকা (জামালগঞ্জ, ধরমপাশা, মধ্যনগর ও তাহিরপুর) উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ করা হবে বলে ব্যাপক প্রচারণা চালান স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।

রবিবার দুপুর ১২টার দিকে সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন প্রথমে তাহিরপুর উপজেলা সদরে ত্রাণ বিতরণ করেন।

পরে দুপুর সোয়া একটার দিকে উপজেলার অন্যতম বাণ্যিজিক কেন্দ্র বাদাঘাট বাজারে আসেন ত্রাণ বিতরণ করতে। প্রথমে তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে যান ত্রান বিতরণ করতে। কিন্তু সেখানে ত্রাণ নিতে আসা লোকজনের ভিড় সামলাতে না পেরে তাদের বাদাঘাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে যেতে বলেন নেতাকর্মীরা।

এইদিকে বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় চার শতাধিক নারী, পুরুষ ও শিশু লাইন করে দাঁড়িয়ে আছেন ত্রাণের অপেক্ষায়। কিছুক্ষণপর সাংসদ রতন স্কুল মাঠে এসে কয়েকজনকে ত্রাণ দিয়ে দ্রুত চলে যান। তিনি চলে যাওয়ার পরপরই ত্রাণ নিতে আসা লোকজনের মধ্যে শুরু হয় ত্রাণ নিয়ে কাড়াকাড়ি। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশদের। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে সাংসদের সঙ্গে থাকা স্থানীয় নেতৃবৃন্দ দ্রুত স্কুলমাঠ ত্যাগ করেন।

ত্রান নিতে আসা নারী পুরুষ স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ত্রাণ দিতে পারবেনা তাহলে এখানে রৌদের মধ্যে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখার মানে কি? এসময় শত শত নারী, পুরুষ ও শিশুকে ত্রাণ না পেয়ে খালি হাতে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে দেখা গেছে।

শেয়ার করুন
  • 70
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
©সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT