বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নোটিশঃ
ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। নাগরিক আইটি থেকে কম মূল্যে ওয়েবসাইট বানাতে আজই যোগাযোগ করুন। কল করুন- ০১৫২১ ৪৩৮৬০১
সংবাদ শিরোনাম :
জগন্নাথপুরের ১১৪ নং দক্ষিণ প্রভাকরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন দক্ষিণ সুনামগঞ্জে লোকনাথ পূজাঁয় প্রতিপক্ষের চুরিকাঘাতে নিহত ১ আহত ২জন বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু”র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাপন সম্পন্ন ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রনজিত চৌধুরী রাজনকে হত্যা করার চেষ্টার অভিযোগ বহুবিবাহ ঠেকাতে বিবাহ পদ্ধতি ডিজিটাল করা জরুরি : ফররুখ শাহজাদ চলে গেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু ই‌ন্তেকাল বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন যুক্তরাজ্য শাখার উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হাওর ভাতা প্রাপ্যতার দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান ভাষা শহীদদের প্রতি পুরুষ অধিকার সংগঠনের শ্রদ্ধা নিবেদন মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে স্থাপিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ
তাহিরপুরে ১ হাজার একর জমি কৃষি চাষের অনুপযোগী।

তাহিরপুরে ১ হাজার একর জমি কৃষি চাষের অনুপযোগী।

শাবজল হোসাইন,তাহিরপুর:লাকমা ছড়া দিয়ে পাহাড়ি ঢলে ভেসে আসা বালু ও লাল মাটি, কেড়ে নিয়েছে কৃষকদের আহার।প্রায় ১ হাজার একর ব্যুরো জমি কৃষি চাষের অনুপযোগী,কৃষকদের মাথায় হাত।

তাহিরপুর উপজেলা উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের লাকমা পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ার মধ্য দিয়ে চুনখলা হাওড় পর্যন্ত ছড়াটি প্রবহিত রয়েছে।

জানাযায়-গত কয়েক বছর আগেও ঐ জমি গুলোতে ভালো ফসল উৎপাদন করতেন কৃষকরা।এখন বালু আর লাল মাটির কারণে কোন ফসলই উৎপাদন করতে পারেন না কৃষকেরা। বর্ষা কালে পাহাড়ি ঢলে ভেসে আসে বালু ও লাল মাটি।পাহাড়ি ঢলে বালু ও লাল মাটি ভেসে এসে পরে চুনখলা হাওড়ে। ধিরে ধিরে বালু ও লাল মাটি দিয়ে ভরাট হয়ে আসছে শত শত কৃষকের হাজার একর ব্যুরো জমি।ধিরে ধিরে মরুভূমিতে পরিনত হয়ে যাচ্ছে চুনখলা হাওড়।প্রতি বছরেই বেড়ে চলছে বালু ও লাল মাটির সংখ্যা।হয়তো একদিন পুরো হাওড়টি বালু ও লাল মাটি ই ভরপুর হয়ে যাবে। এবিষয়টি যেন দেখার কেউ নেই।

হাওড় পাড়ের কৃষকরা বলেন-আমরা কয়েক বছর আগে এই জমি গুলোতে ফসল করে অনেক ধান পাইতাম।এখন গত কয়েক বছর ধরে পাহাড়ি ঢলে ভেসে আসা বালু ও লাল মাটির কারণে আর ফসল উৎপাদন করতে পারিনা।এই জমি গুলোতে এখন কোন ফসলই হয়না।যদি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর কোনো ব্যবস্থা নেন তাহলে আমাদের হাওড়ের বাকি জমি গুলোতে ধান উৎপাদন করা যাবে।নয়তো সারা হাওড়টি একদিন দখল করে নেব এই অভিশপ্ত বালু ও লাল মাটি। তাঁরা আরো বলেন-লাকমা ছড়া থকে পাটলাই পর্যন্ত নদী খনন করেলে বেঁচে যাবে হাওড়ের বাকি জমি গুলো। বালু ও লাল মাটি নদীতে গিয়ে পরবে।এবং এলাকার বেকার লোকেরা সেই বালু উত্তোলন করে বিক্রি করতে পারবে।এতে বেকারত্বও দূর হবে।

এবিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজেন ব্যানার্জি বলেন-লাকমা ছড়া দিয়ে বালু এসে জমিতে পরে জমিগুলো কৃষি চাষের অনুপযোগী হয়েছে এ বিষয়টি আমাদের নজরে আছে এবং লাকমা ছড়া থেকে পাটলাই নদী পর্যন্ত নদী খননের বিষয়টি আমার উদ্বর্তন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে শিগরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এবিষয়ে তাহিরপুর কৃষি অফিসের এস এ পি পি অ, মো: আসাদুজ্জামান বলেন- আমরা সে জমি গুলো পরিদর্শন করেছি,ঐ জমিগুলোতে কোন ফসলই উৎপাদন হবে না।তবে অন্য জায়গা থেকে মাটি এনে বালু ভরপুর জমিতে তরমুজ,মিষ্টিলাউ উৎপাদন করা সম্ভব।তাছড়া লাকমা ছড়া থেকে পাটলাই নদী পর্যন্ত নদী খনন করলে হয়তো বাকি জমি গুলোতে চাষাবাদ করা সম্ভব।

শাবজল হোসাইন/তাহিরপুর প্রতিনিধি

শেয়ার করুন
  • 72
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
©সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT