শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নোটিশঃ
ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। নাগরিক আইটি থেকে কম মূল্যে ওয়েবসাইট বানাতে আজই যোগাযোগ করুন। কল করুন- ০১৫২১ ৪৩৮৬০১
সংবাদ শিরোনাম :
দিরাই উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে মত বিনিময় করেন ডক্টর সামছুল হক চৌধুরী মাদ্রাসা উন্নয়নে নগদ অর্থ প্রদান করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবু বক্কর খাঁন সার্চ মানবাধিকার সংগঠনের উদ্যোগে ড. সামছুল হক চৌধুরী ও আবু বক্কর খাঁনকে সংবর্ধনা প্রদান এমপিও নীতিমালার বৈষম্য দূরীকরণের দাবীতে মানববন্ধন সুনামগঞ্জে যুব মহিলালীগের সদর উপজেলা ও পৌর কমিটি অনুমোদন স্মরণ উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় যুবলীগ নেতা হৃদয়’র অভিনন্দন দেশ ও প্রবাসের নতুন স্থান পেয়েছেন সার্চ মানবাধিকার সোসাইটি কেন্দ্রীয় কমিটিতে যুক্তরাজ্য প্রবাসী ডক্টর সামছুল হক চৌধুরীকে বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচছা প্রদান বঙ্গবন্ধুর সমাধীতে মহিলা শ্রমিকলীগের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও শপথ গ্রহন বিশ্বম্ভপুরে হিলিপ টাকা আত্মাসাতের অভিযোগেে হারুন মিয়া গ্রেফতার
তাহিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কমেছে রোগী-নিউ টাইমস্২৪

তাহিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কমেছে রোগী-নিউ টাইমস্২৪

আবু জাহান তালুকদার::তাহিরপুর প্রতিনিধিঃ
তাহিরপুর উপজেলার তিন লক্ষাধিক মানুষের ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা ভাইরাসের ভয়ে রোগীদের সংকট দেখা দিয়েছে। দুই সপ্তাহ আগেও হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে রোগীর সংখ্যা বেশী থাকায় অনেক রোগী ভর্তি করা যেতো না। কিন্তু এখন প্রতিটি ওয়ার্ডে বেশীর ভাগ সিট খালি পড়ে আছে। পুর্বৈ প্রতিদিন হাসপাতালে আউটডোরে সাধারণ রোগীদের ভিড় সামলাতে হিমসিম খেতো চিকিৎসকদের। হাসপাতালের আউটডোর থেকে সেবা নিতো প্রায় ২৫০শ থেকে ৩০০শ রোগী। রোগী সংকট হওয়ায় এখন চিকিৎসকরা অলস সময় পার করছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্রে ১৩ জন চিকিৎসকের মধ্যে আছেন ৫ জন। ১৩টি পদের মধ্যে ৮টি পদই শূন্য। শূন্য পদগুলো হল আবাসিক মেডিকেল অফিসার একজন জন, ডেন্টাল একজন, কনসালট্যান্ট ৪ জন (সার্জারী, মেডিসিন, গাইনী,্ এ্যনেস্থেশিয়া) ও ইউনিয়ন মেডিকেল অফিসার দুইজন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি শুরুতে ৩০ শয্যা বিশিষ্ট ছিল। গেল বছর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে। তবে নতুন ভবনের আসবাপত্র না থাকায় চিকিৎসকরা এখনও সেখানে সেবা কার্যক্রম চালু করতে পারেননি।
বৃহস্পতিবার হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ড ও মহিলা ওয়ার্ডের বেশির ভাগ সিট খালি পড়ে রয়েছে। আর যারা আছেন তারাও ভয়ে আছেন। আর কিছু রোগী ভর্তি হয়েও কিছুক্ষণ পর আবার ছুটি নিয়ে চলে যাচ্ছেন। কয়েকদিনের ব্যবধানে শিশু রোগীর সংখ্যাও কমে গেছে এখানে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা: সুমন চন্দ্র বর্মণ জানান, হাসপাতালে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন আউটডোরে রোগী দেখা হতো ২৫০শ থেকে ৩০০শ জন। কিন্ত রোগি দেখা হয় সর্বোচ্চ ৮০ থেকে ১০০শ জন।
তিনি বলেন, আগে রোগী ভর্তি হতো ৩০জন আর এখন ভর্তি হচ্ছেন ৮ থেকে ১০জন। হাসপাতালে ভর্তি যোগ্য রোগী আসলেও করোনা ভাইরাসের ভয়ে ভর্তি না হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তারা বাড়ী ফিরে যাচ্ছেন।

তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হোসেন বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাধারণ রোগীর সংখ্যা কমে গেছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক থাকায় অনেক রোগী ভয়ে ভর্তি হচ্ছেন না। যারা ভর্তি হচ্ছেন তারাও ছুটি নিয়ে তাড়াতাড়ি বাড়ী ফিরে যাচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা সাধারণ রোগীদের নোটিশের মাধ্যমে জানিয়েছি, যাদের সাধারণ সর্দি, জ্বর ও কাশি তাদের জন্য পৃথক বিল্ডিংয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাড়ী থেকেও তারা মোবাইলের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন। মানুষের মধ্যে বর্তমানে আতংক সৃষ্টি হওয়ায় সচেতনতার অভাবে সাধারণরোগীরা হাসপাতালে এখন আসতে চাচ্ছেন না।

শেয়ার করুন
  • 62
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
©সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT