মঙ্গলবার, ২৭ Jul ২০২১, ০২:৫২ অপরাহ্ন১২ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

নোটিশঃ
ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। নাগরিক আইটি থেকে কম মূল্যে ওয়েবসাইট বানাতে আজই যোগাযোগ করুন। কল করুন- ০১৫২১ ৪৩৮৬০১
সংবাদ শিরোনাম :
আজ বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ছবি রানী দে”র শুভ জন্মদিন আওয়ামীলীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন গুলো হচ্ছে সাংবাদিক মরহুম আবেদ মাহমুদ চৌধুরীকে শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করছি করোনা সংকটে মানবতার সেবায় জুবিলীয়ান ৯৯ ব্যাচের উদ্যোগে অর্থ বিতরণ পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সুরাইয়া আক্তার- নিউ টাইমস২৪ পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সার্চ সংগঠনের চেয়ারম্যান ও পরিচালক পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানান সেলিম আহমেদ আকরাম হোসেন বাদল”র মায়ের অকাল মৃত্যুতে অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক রেহনুমা কানিজ ভাষার অকাল মৃত্যুতে সুনামগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক করোনা যুদ্ধে এক বীর সৈনিক আফরোজা তালুকদার
নারায়ণগঞ্জের ভয়াবহ হতাহতের সুষ্ঠু তদন্ত চান সার্চ মানবাধিকার সোসাইটি বাংলাদেশ

নারায়ণগঞ্জের ভয়াবহ হতাহতের সুষ্ঠু তদন্ত চান সার্চ মানবাধিকার সোসাইটি বাংলাদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের হাশেম ফুডস অ্যান্ড বেভারেজ কোম্পানির সেজান জুস কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে সার্চ মানবাধিকার সোসাইটি বাংলাদেশ। সার্চ বলছে, এ ভয়ানক অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ উদঘাটন করে জড়িতদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন। এ ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন সার্চ মানবাধিকার সোসাইটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান খাঁন রেজাউল ইসলাম রেজা ও পরিচালক এম কে দেব। গতকাল শুক্রবার (৯ জুলাই) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানিয়েছে সার্চ সংগঠন। প্রতিষ্ঠানটির সিলেট বিভাগীয় কো-অর্ডিনেটর এ কে মিলন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, মালিকপক্ষের অবহেলায় আটকে পড়া অসহায় শ্রমিকদের মৃত্যুর দায় কারখানার মালিকপক্ষ কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। এটি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাশেম ফুডস অ্যান্ড বেভারেজের সেজান জুস কারখানায় গত বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) বিকেলে আগুন লাগে যা নিয়ন্ত্রনে আসে ২৪ ঘণ্টা পর। ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত শ্রমিকদের স্বজনদের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় যে, চতুর্থ তলায় অবস্থিত কারখানার ব্যবস্থাপক সবসময় কারখানার ভেতর শ্রমিকদের রেখে দরজায় তালা দিয়ে রাখেন। এছাড়া, ভবনের পঞ্চম তলায় প্রচুর কেমিক্যালের উপস্থিতি, অগ্নি নির্বাপণ এবং জরুরি নির্গমণের ব্যবস্থা না থাকায় বিপুল সংখ্যক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। সার্চ মনে করে, একের পর এক অগ্নিকাণ্ডে নিহতের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রকাশিত সংবাদের আলোকে মালিকপক্ষের অবহেলায় আটকেপড়া অসহায় শ্রমিকদের মৃত্যুর দায় কারখানার মালিকপক্ষ কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। এটি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। কারখানায় নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে মালিকপক্ষ থেকে উপযুক্ত অর্থসহায়তা প্রদান সুনিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে দায়িত্ত্বশীলদের গাফিলতি আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করে সার্চ মানবাধিকার সোসাইটি বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন
  • 106
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
©সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT