শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নোটিশঃ
ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। নাগরিক আইটি থেকে কম মূল্যে ওয়েবসাইট বানাতে আজই যোগাযোগ করুন। কল করুন- ০১৫২১ ৪৩৮৬০১
সংবাদ শিরোনাম :
বামিংহামে করোনা দূর্যোগে খাবার বিতরণ করেন আলহাজ্ব কবির উদ্দিন ও ওয়াছিমুজ্জামান ছাতকে মধ্যরাতে জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ-গ্রেপ্তার ১ সুনামগঞ্জে সহকারী শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে হারিছ উদ্দিনের স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে মৎস্যজীবি লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন আন্দোলন ফোরামের সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীরা বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবীতে কর্মবিরতি পালন নাজমুল হকের অকাল মৃত্যুতে নারী নেত্রী ফেরদৌস আরা পাখি”র শোক ও সমবেদনা দিরাই উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে মত বিনিময় করেন ডক্টর সামছুল হক চৌধুরী মাদ্রাসা উন্নয়নে নগদ অর্থ প্রদান করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবু বক্কর খাঁন সার্চ মানবাধিকার সংগঠনের উদ্যোগে ড. সামছুল হক চৌধুরী ও আবু বক্কর খাঁনকে সংবর্ধনা প্রদান
“প্যানেল মেয়র হোসেন আহমেদ রাসেলকে” শ্রীঘরে পাঠিয়েছেন আদালত।

“প্যানেল মেয়র হোসেন আহমেদ রাসেলকে” শ্রীঘরে পাঠিয়েছেন আদালত।

স্টাফ রিপোর্টারঃ
জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সুনামগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র হোসেন আহমেদ রাসেলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মামলা সূত্রে জানা যায়, বিগত কয়েক মাস আগে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের কর্মচারী জাকারিয়া তার ছোটবোনের বিয়ের কাঠের আসবাবপত্র পৌর শহরের ষোলঘর এলাকার একটি ফার্নিচারের দোকান থেকে ক্রয় করে ট্রাকে তোলার সময় রাস্তায় সামান্য যানজটের সৃষ্টি হওয়ায় সুনামগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হোসেন আহমদ রাসেল ট্রাকচালককে গালিগালাজ করেন এবং একপর্যায়ে মারধর শুরু করেন। তখন জাকারিয়া এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর শুরু করেন কাউন্সিলর হোসেন আহমদ রাসেল। কাউন্সিলর তখন মাতাল অবস্থায় ছিলেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়। এসময় জাকারিয়া নিজেকে ডিসি অফিসের কর্মচারী হিসেবে পরিচয়পত্র দেখিয়ে মারধর না করতে অনুরোধ করলেও রাসেল তাকে মারধর করেন এবং পরে তাকে পৌরসভায় নিয়ে আবার মারধর করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় প্যানেল মেয়র হোসেন আহমেদ রাসেল হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিনি হাজিরা না দেওয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পারোয়ানা জারি করে এবং গ্রেফতারি পারোয়ানা জারির পর সুনামগঞ্জ চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হলে আদালত তাকে সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। কোর্ট পরিদর্শক আশিক সুজা মামুন বলেন, হাইকোর্ট থেকে নেওয়া জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পারোয়ানা জারি হলে তিনি আদালতে উপস্থিত হন। এসময় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এছাড়া, সুনামগঞ্জ প্যানেল মেয়র ও ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হোসেন আহমেদের ভিজিএফের চাল আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত থাকার প্রমাণও পেয়েছে জেলা প্রশাসন। হোসেন আহমেদ রাসেল গেল বছরের ৪ এপ্রিল রোহিঙ্গাদের ভুয়া জন্মনিবন্ধনে সহায়তা করার অপরাধে পুলিশ বাদী হয়ে হোসেন আহমেদ রাসেলসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জ চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল বেলাল উদ্দিনের আদালতে হাজির হলে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন
  • 71
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
©সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT