রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নোটিশঃ
ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। নাগরিক আইটি থেকে কম মূল্যে ওয়েবসাইট বানাতে আজই যোগাযোগ করুন। কল করুন- ০১৫২১ ৪৩৮৬০১
সংবাদ শিরোনাম :
শোকের মাসে যুবলীগের উদ্যোগে ৫ শতাধিক পথ শিশু ও ছিন্নমূল মানুষের মাজে খাবার বিতরণ চরনারচর ইউনিয়নে উপকার ভোগীদের কার্ড বিতরণ করেন চেয়ারম্যান রতন তাং বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন যুক্তরাজ্য শাখার আয়োজনে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত দক্ষিণ সুনামগঞ্জের গাগলী গ্রামে ডোবায় পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নে ছাত্র কল্যাণ পরিষদ কমিটি গঠন সার্চ মানবাধিকার সংগঠনের প্রচেষ্টায় নিষ্পত্তি হলো দুই ভাইয়ের বিরোধ ২১শে আগষ্ট নিহতদের স্বরণে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগি সংগঠনের শোকর‌্যালী,সভা,দোয়া অনুষ্ঠিত সদ্য প্রয়াত সাবেক মেয়র কামরানের কবর জিয়ারত করেন ব্যারিষ্টার এম.এনামুল কবির ইমন বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ১০বৎসরের শিশুকে ধর্ষন ধর্ষক হাশিম গ্রেফতার
বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের জন্মদিন আজ

বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের জন্মদিন আজ

বিশেষ প্রতিনিধিঃ”ফাগুন মাসের প্রথম মঙ্গলবার (১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি), মা বলেছেন জন্ম আমার’ বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম নিজের জন্ম তারিখটা মনে রেখেছিলেন গান বেঁধে। আজ এই বাউল কবির জন্মদিন। ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার তস্বিনী নদী কালনীর পাড়ে জন্মেছিলেন ক্ষণজন্মা এই বাউল। তার বাবা ইব্রাহিম আলী ও মা নাইওরজান। শৈশব থেকেই একতারা ছিল তার নিত্যসঙ্গী। জীবন কেটেছে সাদাসিধে ভাবে। বাউল ও আধ্যাত্মিক গানের তালিম নেন কমর উদ্দিন, সাধক রসিদ উদ্দিন, শাহ্ ইব্রাহিম মোস্তান বকস এর কাছ থেকে।
শাহ আবদুল করিম বাংলার লোকজ সঙ্গীতের ধারাকে আত্মস্থ করেছেন অনায়াসে। ভাটি অঞ্চলের সুখদুঃখ তুলে এনেছেন গানে। নারী-পুরুষের মনের কথা ছোট ছোট বাক্যে প্রকাশ করেছেন আকর্ষণীয় সুরে। ভাটি অঞ্চলের মানুষের জীবনের সুখ প্রেম-ভালোবাসার পাশাপাশি তার গান কথা বলে সকল অন্যায়, অবিচার, কুসংস্কার আর সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে। গানে-গানে তিনি অর্ধ শতাব্দিরও বেশী লড়াই করেছেন ধর্মান্ধদের বিরুদ্ধে। এজন্য মৌলবাদীদের দ্বারা নানা লাঞ্ছনারও শিকার হয়েছিলেন এই বাউল। তিনি গানের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন প্রখ্যাত বাউলস¤্রাট ফকির লালন শাহ, পুঞ্জু শাহ এবং দুদ্দু শাহ এর দর্শন থেকে। জীবিকা নির্বাহ করেছেন কৃষিকাজ করে। কিন্তু কোনো কিছু তাকে গান সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখতে পারেনি। আনন্দ, বেদনা, জনদরদী গানসহ অসংখ্য গণসংগীতের রচয়িতা বাউল শাহ্ আব্দুল করিমের পেয়েছেন একুশে পদক।
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, কাগমারী সম্মেলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে মানুষকে প্রেরণা যোগায় শাহ আবদুল করিমের গান। গানের জন্য মাওলানা ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাহচর্যও পেয়েছেন তিনি। শাহ আবদুল করিম লিখেছেন ও সুর দিয়েছেন ১৬শ’র বেশি গান। যেগুলো সাতটি বইয়ে গ্রন্থিত আছে। বাংলা একাডেমীর উদ্যোগে তার ১০ টি গান ইংরেজিতে অনুদিত হয়েছে। কিশোর বয়স থেকে গান লিখলেও কয়েক বছর আগেও এসব গান শুধুমাত্র ভাটি অঞ্চলের মানুষের কাছেই জনপ্রিয় ছিল। তার মৃত্যুর কয়েক বছর আগে বেশ কয়েকজন শিল্পী বাউল শাহ আব্দুল করিমের গানগুলো নতুন করে গেয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করলে তিনি দেশব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন।

বাউল শাহ্ আব্দুল করিমের জন্মদিন উপলক্ষে উজান ধলের বাড়িতে শনিবার বিকালে মিলাদ মাহ্ফিল, শিরনি বিতরণ এবং সন্ধ্যার পর থেকে বসবে বাউল আসর

শেয়ার করুন
  • 62
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
©সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT