শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:১৯ অপরাহ্ন১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নোটিশঃ
ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। নাগরিক আইটি থেকে কম মূল্যে ওয়েবসাইট বানাতে আজই যোগাযোগ করুন। কল করুন- ০১৫২১ ৪৩৮৬০১
সংবাদ শিরোনাম :
বামিংহামে করোনা দূর্যোগে খাবার বিতরণ করেন আলহাজ্ব কবির উদ্দিন ও ওয়াছিমুজ্জামান ছাতকে মধ্যরাতে জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ-গ্রেপ্তার ১ সুনামগঞ্জে সহকারী শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে হারিছ উদ্দিনের স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে মৎস্যজীবি লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন আন্দোলন ফোরামের সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীরা বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবীতে কর্মবিরতি পালন নাজমুল হকের অকাল মৃত্যুতে নারী নেত্রী ফেরদৌস আরা পাখি”র শোক ও সমবেদনা দিরাই উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে মত বিনিময় করেন ডক্টর সামছুল হক চৌধুরী মাদ্রাসা উন্নয়নে নগদ অর্থ প্রদান করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবু বক্কর খাঁন সার্চ মানবাধিকার সংগঠনের উদ্যোগে ড. সামছুল হক চৌধুরী ও আবু বক্কর খাঁনকে সংবর্ধনা প্রদান
লকডাউন করা পরিবারের খোঁজ নেয়নি কেউ :: অনাহারে রাত্রি যাপন করল পরিবারটি

লকডাউন করা পরিবারের খোঁজ নেয়নি কেউ :: অনাহারে রাত্রি যাপন করল পরিবারটি

তাহিরপুর প্রতিনিধিঃ

নববর্ষের দিন তাহিরপুরের ইউএনও সাহেব আমাদের গ্রামের মেম্বারকে দিয়ে লাল পতাকা টানিয়ে আমার পরিবারকে লকডাউন ঘোষণা করেন। লকডাউন দেওয়ার ১০ দিন পেরিয়ে গেল কিন্তু আজ পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন সহ স্থানীয় কোন ব্যাক্তি আমাদের পরিবারের আর কোন খোঁজ খবর নেয় নি। আমরা কি খেয়েই আছি ? নাকি না খেয়েই আছি ১০ দিনের মধ্যে কেউ খবর নেয় নি। ঘরে যে খাবার ছিল তা আজকে শেষ হয়ে গেছে তাই রাতে কিছু খাওয়া হয়নি ।

ঠিক এভাবেই গণমাধ্যম কে মুঠোফোনে উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন লকডাউনে থাকা পরিবারের সদস্য মবিন নুর আহমেদ।

জানা যায়, নববর্ষের দিন তাহিরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভাটি তাহিরপুর গ্রামে আসেন সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতালে কর্মরত রেনু মিয়া। সিলেট হাসপাতালে চাকরিরত রেনু মিয়া বাড়িতে আসার সংবাদটি জানতে পেরে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজেন ব্যানার্জীর নির্দেশনায় স্থানীয় ইউপি সদস্য হুমায়ুন কবির রেনু মিয়ার বাড়িতে লাল পতাকা টানিয়ে লকডাউন ঘোষণা করেন।

লকডাউনে থাকা পরিবারের দাবি, লকডাউন ঘোষণার পর থেকে এ পরিবারের আর কোন খোঁজ খবর নেয়নি উপজেলা প্রশাসন সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।

পরিবারের সদস্য মবিন নুর আহমেদ জানান, একটি পরিবারে ত ১৪ দিন খাবারের ব্যাবস্থা নাও থাকতে পারে। তবুও ১০ দিন হল ঘরে যা ছিল তা খেয়েই চলছে। ঘরের খাবার শেষ হওয়ায় আজ রাতে ( বুধবার,২২ এপ্রিল) আমাদের পরিবারের লোকজন না খেয়েই রাত কাটিয়েছে। চিন্তা করছি প্রশাসন সহ কেউই যখন আমাদের কোন খোঁজ খবর নেয় নি তাই বাধ্য হয়েই লকডাউন ভেঙ্গেই আজকে বাজারে যাব।

এ ব্যাপারে জানতে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজেন ব্যানার্জির মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলেও ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয় নি।

শেয়ার করুন
  • 23
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
©সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT