শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন১০ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

নোটিশঃ
ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। নাগরিক আইটি থেকে কম মূল্যে ওয়েবসাইট বানাতে আজই যোগাযোগ করুন। কল করুন- ০১৫২১ ৪৩৮৬০১
সংবাদ শিরোনাম :
৫৯টি অনিবন্ধিত অবৈধ আইপিটিভি বন্ধ করলো বিটিআরসি সুনামগঞ্জে সুরমা উত্তর পাড়ে বিভিন্ন দাবীতে মানববন্ধন ও লিফলেট বিতরণ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক হুইপ আছপিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল নিহত পরশ মিয়ার বাবার পাশে দাঁড়ালেন শ্রমিকলীগ নেতা সেলিম আহমেদ হাজী মহসিন উল্লাহ জালু মাষ্টারের মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক এলাকাবাসীর প্রাণের দাবী মোঃ মাসুক মিয়াকে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখতে চায় সুনামগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের গঠতনন্ত্র অনুমোদিত মরণোত্তর বিচার আইন প্রণয়নের দাবীতে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের স্মারক লিপি প্রদান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে যুব মহিলালীগের শ্রদ্ধা নিবেদন মহিলা শ্রমিকলীগ আয়োজিত শোক সভায় এড.জাহাঙ্গীর কবির নানক
লাখ টাকার ধান্দায় ব্যর্থ হয়ে খন্দকার আরজুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র- নিউ টাইমস২৪

লাখ টাকার ধান্দায় ব্যর্থ হয়ে খন্দকার আরজুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র- নিউ টাইমস২৪

সিনিয়র প্রতিবেদক :: কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, দখল, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসীমুলক কর্মকান্ড পছন্দ করেন না সাবেক সাংসদ খন্দকার আরজু। এলাকার মাদকের আখড়াও বন্ধ করেছেন। দলমত নির্বিশেষে একজন জনপ্রিয় ও কর্মীপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত খন্দকার আরজু। পাবনা-২ আসনের সব উন্নয়নের বিপ্লব ঘটিয়েছেন তিনি। নগরবাড়ি নৌবন্দর এলাকায় নবনির্মিত মেরিন একাডেমি এবং বন্দরই প্রমাণ দেয়। মথুরাহাট-বাজারে দেড় শতাধিক দোকানঘর নির্মাণ করে দিয়ে বেকারদের কর্মসংস্থান করেছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও এমপি থাকাকালে খন্দকার আরজুর প্রচেষ্টায় এবং ব্যক্তিগত অর্থায়নে যেসকল উন্নয়ন হয়েছে, সবই দৃশ্যমান। তিনি সাবেক জনপ্রতিনিধি হলেও জনগণের দুর্দিনে পাশে থাকেন। আর্থিক সহায়তা থেকে শুরু করে সবসময় সক্রিয়ভাবে জনসেবা করছেন। খন্দকার আজিজুল হক আরজুর সাথে জনগণের আত্মীয় সম্পর্ক, যেকারণে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার করা হচ্ছে।

সম্প্রতি একটি ঘটনার সাথে পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সক্রিয় আওয়ামী লীগ নেতা খন্দকার আজিজুল হক আরজুর নাম জড়িয়ে অপপ্রচার করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে স্থানীয় জনতা। গত ৮ মার্চ আমিনপুর থানার নাটিয়াবাড়ি এলাকায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ ২ জনকে আটক করে পুলিশ। ওই ঘটনায় যে ব্যক্তিকে খন্দকার আরজুর ভাতিজা উল্লেখ করে দুটি গণমাধ্যমের সংবাদে অপপ্রচার করা হয়। সেই ব্যক্তি খন্দকার আরজুর ভাতিজা নন।

পারিবারিকভাবে কারো আত্মীয় না হলেও দলীয় এবং এলাকার সক্রিয় অবস্থান দুর্বল করতেই পরিকল্পিত এ ষড়যন্ত্র, দাবি করছেন স্থানীয়রা।

এ অপপ্রচারে বেড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল হক বাবু ও তার ভাই মুকুরের প্রত্যক্ষ ও পরক্ষ ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জনশ্রুতি বলছে, পিকনিকে যাওয়ার জন্য সাবেক সাংসদের কাছে কতিপয় এক সিন্ডিকেটের লাখ টাকার ধান্দা ছিল। তাদেরকে পিকনিকের জন্য ১০ হাজার টাকাও দেওয়া হয়। লাখ টাকার ধান্দায় ব্যর্থ হয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করে ওই সিন্ডিকেট।

মাদকব্যবসা, জমি দখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় খন্দকার আরজুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে দাবি করেছেন জেলা পরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আমজাদ হোসেন।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, তৃণমূল নেতাকর্মীরা খন্দকার আরজুর নেতৃত্বে সক্রিয় বলেই অনুপ্রবেশকারী নব্য আওয়ামী লীগ সাইনবোর্ডধারীরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সাবেক সাংসদ আরজুর কাছে এক সিন্ডিকেট লাখ টাকার ধান্দায় ব্যর্থ হয়ে অপপ্রচার করছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খন্দকার আজিজুল হক আরজু।

সরেজমিনে গিয়ে প্রাপ্ততথ্যে জানা যায়, কতিপয় এক গণমাধ্যমকর্মী পিকনিকে যাওয়ার জন্য সাবেক সাংসদ খন্দকার আরজুর কাছে টাকা চান। চাহিদা লাখ টাকা হলেও ১০ হাজার টাকা দেন আরজু।

এনিয়ে সাবেক সাংসদের ওপর ওই গণমাধ্যকর্মীর ক্ষোভ ছিল।

সম্প্রতি এক ব্যক্তির প্রতিষ্ঠানে আগ্নেয়াস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনার সাথে পরিকল্পিতভাবে খন্দকার আজিজুল হক আরজুকে জড়িয়ে অপপ্রচার করা হয়। সাবেক সাংসদের ভাতিজা উল্লেখ করে অপরাধীকে প্রকাশ করে। অথচ সেই ব্যক্তির সাথে সাবেক সাংসদের পারিবারিকভাবেও কোনো সম্পর্ক নেই।

নগরবাড়িঘাট বণিক সমিতির নেতা আলহাজ্ব ইমান আলী বলেন, মাদক কারবারি থেকে শুরু করে সব সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ করেছেন সাবেক সাংসদ খন্দকার আরজু। যারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করার সুযোগ খুঁজছে, তারাই এ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

স্থানীয় যুবলীগ নেতা জিয়াউর রহমান জিলাল ও শেখ শাজাহান আলী বলেন, তৃণমূল নেতাকর্মীরা খন্দকার আরজুর নেতৃত্বে সক্রিয় রয়েছে। যেকারণে অনুপ্রবেশকারী নব্য আওয়ামী লীগ সাইনবোর্ডধারীরা এলাকায় অবস্থান নিতে পারছে না। ভালো মানুষের শত্রু বাড়ে, এ প্রবাদের সত্যতা মিললো অপপ্রচারে।

এ প্রসঙ্গে সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খন্দকার আজিজুল হক আরজু বলেন, আমি উপজেলা চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য ছিলাম। আমার বিরুদ্ধে জনগণের কোনো ধরনের অভিযোগ নেই। জনগণ আমাকে ভালোবাসে, এটা কি আমার দোষ? আমার কোনো সম্পর্কেই আত্মীয় নন, এমন এক পরিবারের দুইজনকে আমার ভাতিজা উল্লেখ করে মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্ভট ও মনগড়া সংবাদ পরিবেশন করানো হয়েছে। আমি আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে অভিযুক্ত বেড়া উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল হক বাবুর মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন
  • 16
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
©সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT