শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:৫০ অপরাহ্ন২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নোটিশঃ
ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। নাগরিক আইটি থেকে কম মূল্যে ওয়েবসাইট বানাতে আজই যোগাযোগ করুন। কল করুন- ০১৫২১ ৪৩৮৬০১
সংবাদ শিরোনাম :
জগন্নাথপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী আব্দুল মতিন লাকী দেশে আসছেন ১০ ডিসেম্বর বামিংহামে করোনা দূর্যোগে খাবার বিতরণ করেন আলহাজ্ব কবির উদ্দিন ও ওয়াছিমুজ্জামান ছাতকে মধ্যরাতে জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ-গ্রেপ্তার ১ সুনামগঞ্জে সহকারী শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে হারিছ উদ্দিনের স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে মৎস্যজীবি লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন আন্দোলন ফোরামের সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীরা বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবীতে কর্মবিরতি পালন নাজমুল হকের অকাল মৃত্যুতে নারী নেত্রী ফেরদৌস আরা পাখি”র শোক ও সমবেদনা দিরাই উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে মত বিনিময় করেন ডক্টর সামছুল হক চৌধুরী মাদ্রাসা উন্নয়নে নগদ অর্থ প্রদান করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবু বক্কর খাঁন
সাংবাদিক শফিউলের প্রচেষ্টায় বিশ্বম্ভপুর উপজেলায় দ্বীনি মাদ্রাসা করার পরিকল্পনা

সাংবাদিক শফিউলের প্রচেষ্টায় বিশ্বম্ভপুর উপজেলায় দ্বীনি মাদ্রাসা করার পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক-::

প্রায় দেড় যুগ আগে- সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সাতগাঁও অনন্তপুর দাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বসে এক সন্ধ্যায় ক্বারী ফয়জুর রহমান ওরফে পিপুল, মাও ফরিদ আহমদ ও আলেম সাংবাদিক শফিউল আলম পরামর্শ করে ছিলেন অত্র গ্রামে একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসা করবেন।

গ্রামবাসীদের নিয়ে কয়েক দফা মিটিং করে এই সিদ্ধান্ত হয় যে, একটি মাদ্রাসা করা হবে।
ভূমি দাতা হিসেবে মোঃ তাজুল ইসলাম প্রতিশ্রুতি দিলেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের জন্য জায়গা দিবেন। এরপর চলে গেল দীর্ঘ দিন নাই কোন আলোচনা নেই কোন উদ্যোগ!

মরহুম মকবুল হোসেন, মোঃ এমরুল এবং শফিউল আলম উদ্যোগ নিলেন মক্তব করার জন্য। মহল্লার মসজিদে অনুমতি চাইলে সাবেক মেম্বার জয়নাল আবেদীন সহ মহল্লা বাসী অনুমতি প্রদান করলেন। কিন্তু মক্তব করা সম্ভব হয়নি। কারণ এক জন চলে গেলেন দুনিয়া থেকে আর এক জন চলে গেলেন গ্রাম থেকে রয়ে গেলেন শুধু একা শফিউল আলম।
অবশেষে তিনি একাই আবার শুরু করলেন এলাকার জনগণকে সাথে নিয়ে কার্যক্রম।

গত কুরবানির ঈদে-ঈদের জামাতের পূর্বে শফিউল আলম তার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করলেন গ্রামের জামে মসজিদে। পুনঃরায় দুয়া ও সহযোগীতা চাইলেন সকলের কাছে।

গ্রামের শালিসী ব্যক্তিত্ব মোঃ হেলাল উদ্দিন দুলাল তাকে ডাকলেন উনার বাড়ীতে এবং বললেন মহল্লায় (মসজিদ) মক্তব আছে, আরো একটি মক্তব হলে চালানো সমস্যা হবে! এরচেয়ে ভালো হয় তুমি একটি প্রাইভেট মাদ্রাসা কর।
উনার পরামর্শ অনুযায়ী শফিউল আলম প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করলেন। প্রতিষ্ঠিত হল অনন্তপুর নুরানী মাদ্রাসা।

মসজিদের(গ্রামের) ইমাম সাহেবদের কে অনুরোধ করে বললেন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়ার জন্য। এমন কি মহল্লার মসজিদে মুসল্লীদের কাছে অনুমতি চাইলেন শফিউল আলম। উনারা জানালেন ইমাম সাহেব শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিলে তাদের কোন আপত্তি নাই কিন্তু আসলেন না ইমাম সাহেব। এদিকে অপর মহল্লার মুয়াজ্জিন সাহেব আসলেন একদিন সময় দিলেন কিন্তু আফসোস পরে তিনি আর আসলেন না!

এসময় মানবিক কয়েক জন মহিলা শিক্ষা কার্যক্রমে আত্মনিয়োগ করলেন। শফিউল আলম বলেন, আমি তাদের কাছে চির ঋনী হয়ে থাকব আজীবন।

ইতিমধ্যে মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যখন প্রচার করলাম অনন্তপুর নুরানী মাদ্রাসার কার্যক্রম, তখন মাও ইব্রাহিম খলিলের আপন ছোট ভাই মোঃ সুলতান আহমদ প্রস্তাব দিলেন গ্রামবাসী সহ মাদ্রাসা করতে এবং মাওঃ ইব্রাহিম খলিলের সাথে শফিউল আলম এর সমন্বয় করে দিলেন।

আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হল গ্রামের সবাইকে নিয়ে মিটিং করা হবে।
শুরু হল চতুর্থ দফা বন্যা সাতগাঁও নতুন বাজারে বসে সিদ্ধান্ত হয় ২০- ১০-২০ ইং মিটিং।
২০ অক্টোবর, মঙ্গলবার, মোঃ শামছুল হক’র সভাপতিত্বে মিটিং এর মাধ্যমে সমন্বয় হয় গ্রামবাসীর সাথে।

তাদের তিন জন কে পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয় এবং১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়।নির্বাচিত হলেন, সভাপতি-মোঃ মুজাম্মিল হক ও সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেম্বার জয়নাল আবেদীন।

অত:পর তারা তিন জন বসে পরামর্শ করেন এবং প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম শফিউল আমল
মাওঃ ইব্রাহিম খলিল কে মুহতামীম হিসেবে নির্বাচন করেন। তখন শফিউল আলম কে বানানো হয় নির্বাহী মুহতামীম এবং মাওঃ ফরিদ আহমদ কে সহকারী মুহতামীমের দায়িত্ব দেয়া হয়।

শেয়ার করুন
  • 28
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
©সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT