শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৪২ অপরাহ্ন১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নোটিশঃ
ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। নাগরিক আইটি থেকে কম মূল্যে ওয়েবসাইট বানাতে আজই যোগাযোগ করুন। কল করুন- ০১৫২১ ৪৩৮৬০১
সংবাদ শিরোনাম :
বামিংহামে করোনা দূর্যোগে খাবার বিতরণ করেন আলহাজ্ব কবির উদ্দিন ও ওয়াছিমুজ্জামান ছাতকে মধ্যরাতে জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ-গ্রেপ্তার ১ সুনামগঞ্জে সহকারী শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে হারিছ উদ্দিনের স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে মৎস্যজীবি লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন আন্দোলন ফোরামের সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীরা বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবীতে কর্মবিরতি পালন নাজমুল হকের অকাল মৃত্যুতে নারী নেত্রী ফেরদৌস আরা পাখি”র শোক ও সমবেদনা দিরাই উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে মত বিনিময় করেন ডক্টর সামছুল হক চৌধুরী মাদ্রাসা উন্নয়নে নগদ অর্থ প্রদান করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবু বক্কর খাঁন সার্চ মানবাধিকার সংগঠনের উদ্যোগে ড. সামছুল হক চৌধুরী ও আবু বক্কর খাঁনকে সংবর্ধনা প্রদান
সুনামগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান অপ্রতিদ্বন্ধি।

সুনামগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান অপ্রতিদ্বন্ধি।

বিশেষ প্রতিনিধিঃ শিক্ষা,স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থায় হাওরবাসী পিছিয়ে পড়া সুনামগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান অপ্রতিদ্বন্ধি। তাঁর সাথে অন্য কোন নেতার তুলনা হয় না। তিনি একজন উন্নয়ন পাগল নেতা। স্বাধীনতার পর মৌলভীবাজারের এম সাইফুর রহমান যেমন সিলেটের উন্নয়নে আন্তরিক ছিলেন, ঠিক তেমনি পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সিলেট বিভাগের উন্নয়নে দিনরাত পরিশ্রম করছেন। সুনামগঞ্জের উন্নয়নে ও হাওরপাড়ের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে দিনরাত কাজ করছেন এম এ মান্নান। ইতিপূর্বে মরহুম আব্দুস সামাদ আজাদ, হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী, মেজর ইকবাল হোসেন চৌধুরী, বাবু সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত জাতীয় রাজনীতিতে সুনামগঞ্জের প্রতিনিধিত্ব করলেও অবহেলিত, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যখাতে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্টিকে দেশের অন্যান্য জেলার সাথে উন্নয়নে আন্তরিকতা লক্ষ্য করা যায়নি। তারা নিজেদের রাজনৈতিক, ক্ষমতা ও পেশি শক্তিকে মজবুত করতেই সার্বিক উন্নয়নের চেয়ে দলীয় গ্রুপিং কোন্দল জিয়েই রেখেছিলেন। কিন্তু এম এ মান্নান এসব দ্বন্ধের উর্দ্ধে উঠে এলাকার স্বার্থে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। তবে জেলার জাতীয় রাজনীতিতে ঐসব নেতাদের অবদান কমও ছিল না। তারই ঐক্যান্তিক প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জ আর অবহেলিত জনপথ হিসেবে থাকছে না। সারা দেশের সাথে সুনামগঞ্জও এগিয়ে যাচ্ছে। সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মন্ত্রীসভায় অনুমোদিত হওয়ায় হাওরাঞ্চল জুড়ে বইছে আনন্দের বন্যা। গত বছর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পর ৩০ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মন্ত্রী সভায় অনুমোদিত হয়েছে। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান সুনামগঞ্জ বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ নির্মাণ প্রকল্পের কার্যক্রম চলছে পুরোদমে। নারী শিক্ষার প্রসার ঘটাতে নার্সিং ইনস্টিটিউট, হেলথ টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, টেক্সটাইল ইনস্টিটিটিউট, শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক), বারটানসহ একাধিক বড় প্রকল্পের অনুমোদন, কোনটির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়িত হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মমূখি প্রশিক্ষণ ও কৃষি উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তার সুদুর চিন্তাধারায় গেল বছর যোগাযোগ ক্ষেত্রে সেতু ও সড়কের বড় কয়েকটি প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়ন কাজ চলছে। তাহিরপুরের যাদুকাটা নদীতে শাহ আরেফিন-অদ্বৈত সেতু নির্মাণ কাজ চলছে পুরোদমে। এই সেতুর ফলে সীমান্তের যোগাযোগ অনেকটা সহজ হবে। এছাড়া গত বছর নতুন করে শুরু হয়েছে ছাতকের সুরমা সেতুর কাজ। বিএনপি আমলে গুচ্ছ প্রকল্পের মাধ্যমে খালেদা জিয়া এটি উদ্বোধন করলেও কোন বরাদ্দ না থাকায় কাজটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এই সেতুটিও ছাতক- দোয়ারাবাসীর উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা নদীতে ধারারগাঁও সেতুর অনুমোদন শেষে জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে গত বছরেই। সুনামগঞ্জ ঢাকা সড়কের পাগলা আউশকান্দি সড়ক এবং জেলার বৃহৎ রানীগঞ্জ সেতু যোগাযোগ ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন আনছেন এই এম এ মান্নান। যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই সেতুর কাজটিও জেলাবাসীর উন্নয়নের বড় ঘটনা। এদিকে ‘সুনামগঞ্জ, দিরাই, শাল্লা, আজিমিরিগঞ্জ মহাসড়ক বাস্তবায়নে’ একনেকে হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছে। এ সড়কটি বাস্তবায়িত হলে রাজধানী ঢাকার সাথে সুনামগঞ্জের আরেকটি বিকল্প যাতায়াতের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তাছাড়া হাওরে বঙ্গবন্ধু কিল্লা নির্মাণ, বজ্রনিরোধক পোল নির্মাণ, নদী খনন ও নদীতীর সংরক্ষণেও কোটি কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ছাতক-সুনামগঞ্জ রেললাইন সম্প্রসারণ, সুনামগঞ্জ মোহনগঞ্জ রেললাইন সম্প্রসারণ, সুনামগঞ্জ-মোহনগঞ্জ সড়ক নির্মাণ, ধর্মপাশায় ১৮ কি. উড়াল সেতু নির্মাণ, সীমান্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্প আলোচনায় ছিল শীর্ষে। ২০২০ সনের শুরুতেই এই প্রকল্পগুলো অনুমোদন ও বাস্তবায়ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়িত হলে পুরোদেশের সঙ্গে সুনামগঞ্জের চারদিকেই যোগাযোগের সম্প্রসারণ ও সহজতর হবে। পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠা ও হাওরবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক ভালোবাসার বহিপ্রকাশই এসব প্রকল্প অনুমোদিত ও কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান জানান, আমার জীবনে অনেক কিছু পেয়েছি। সহকারী কমিশনার থেকে সচিব হিসেবে সরকারী চাকুরী থেকে অবসর গ্রহন করেছি। বঙ্গবন্ধুর কন্যা বর্তমান সফল প্রধানমন্ত্রী আমাকে ভালবাসেন বিধায় পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হাওরবাসীর সার্বিক উন্নয়নে যা যা করা দরকার তাই করতে আমাকে নির্দেশনা দিয়েছেন। আমি হাওরবাসীকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতার কারণে তা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। প্রধানমন্ত্রী হাওরের জন্য কোন প্রকল্প নিয়ে গেলে ফেলে রাখেন না। তিনি সাথে সাথেই অনুমোদন দিয়ে দেন। আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। আগামীতেও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। তিনি সারাদেশের উন্নয়নের রূপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শক্তি, সমর্থন ও সহযোগিতার আহ্বান জানান।সংগ্রহ দৈনিক হাওরাঞ্চলের কথা।

শেয়ার করুন
  • 62
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
©সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT