শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নোটিশঃ
ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। নাগরিক আইটি থেকে কম মূল্যে ওয়েবসাইট বানাতে আজই যোগাযোগ করুন। কল করুন- ০১৫২১ ৪৩৮৬০১
সংবাদ শিরোনাম :
বামিংহামে করোনা দূর্যোগে খাবার বিতরণ করেন আলহাজ্ব কবির উদ্দিন ও ওয়াছিমুজ্জামান ছাতকে মধ্যরাতে জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ-গ্রেপ্তার ১ সুনামগঞ্জে সহকারী শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে হারিছ উদ্দিনের স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে মৎস্যজীবি লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন আন্দোলন ফোরামের সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীরা বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবীতে কর্মবিরতি পালন নাজমুল হকের অকাল মৃত্যুতে নারী নেত্রী ফেরদৌস আরা পাখি”র শোক ও সমবেদনা দিরাই উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে মত বিনিময় করেন ডক্টর সামছুল হক চৌধুরী মাদ্রাসা উন্নয়নে নগদ অর্থ প্রদান করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবু বক্কর খাঁন সার্চ মানবাধিকার সংগঠনের উদ্যোগে ড. সামছুল হক চৌধুরী ও আবু বক্কর খাঁনকে সংবর্ধনা প্রদান
“সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাব বন্ধের দাবী”প্রেসকাউন্সিল বরাবর অভিযোগ দায়ের।

“সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাব বন্ধের দাবী”প্রেসকাউন্সিল বরাবর অভিযোগ দায়ের।

স্টাফ রিপোর্টার: অসাংবাদিকদের নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাব, উকিলপাড়ার কার্যক্রম বন্ধ করে জেলা প্রশাসনের অধীনে প্রকৃত সাংবাদিকদের অর্ন্তভুক্তির দাবী জানিয়ে প্রেসকাউন্সিল চেয়ারম্যান বরাবরে অভিযোগ দিলেন বঞ্চিত সাংবাদিক কে এম শহীদুল। গতকাল মঙ্গলবার প্রেসকাউন্সিল চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, দৈনিক সকালের সময় ও ২৪ঘন্টা টিভি’র জেলা প্রতিনিধি কেএম শহীদুল ইসলাম ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন পত্রিকায় সাংবাদিকতা আসাবস্থায় সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাব উকিলপাড়ার সদস্য হওয়ার আবেদন করে ব্যর্থ হন। ২০১৪ সাল থেকে বার বার আবেদন করে আসলেও তাকে এখনও সদস্য হিসেবে অর্ন্তভুক্তি করেনি। অথচ এই প্রেসক্লাবকে দলীয় ক্লাবে পরিনত করতে নাম সর্বস্ব ও আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকার নাম ব্যবহার করে অনেক অসাংবাদিককে সাংবাদিক হিসেবে অর্ন্তভুক্তি করে প্রেসক্লাবের সভাপতির স্বাক্ষর ছাড়াই জেলা প্রশাসকের কাছে তালিকা দাখিল করা হয়েছে। তালিকা দৃষ্টে দেখা যায়, দীর্ঘ বছর ধরে বন্ধ, নাম সর্বস্ব, এমপি,আইনজীবী, ভিডিও ব্যবসায়ী, কালোবাজারী, সার্টিফিকেট বিহীন ও অনুগত ৮/১০জন অসাংবাদিককে সদস্য করেছেন। সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের স্বঘোষিত সাধারন সম্পাদক, পৌর কলেজের অধ্যক্ষ, জাসাসের সভাপতি ও বিএনপি’র মনোনিত সাবেক পৌর মেয়র প্রার্থী ও নাশকতা মামলার কারাভুক্ত আসামী শেরগুল আহমদ। অসাংবাদিকদের দখলে প্রেসক্লাব মন্তব্য করে ফেইসবুকে কমান্ড পোষ্ট করায় জেলার একজন সিনিয়র স্বনামধন্য সম্পাদককে কোন কারন দর্শানো ছাড়াই বহিস্কার করা হয় এবং সাধারন সম্পাদকের শ্যালক, সাবেক জেলা বিএনপি’র নেতা জিয়াউল হকের মালিকানাধীন দৈনিক সুনামকন্ঠ পত্রিকায় বহিস্কারের খবর প্রকাশ করেন। এ নিয়ে দৈনিক হাওরাঞ্চলের কথা’ পত্রিকায় গত ১১ জানুযারী ‘সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবে অসাংবাদিক ও জামায়াত-বিএনপি’র ধাপটে প্রকৃত সাংবাদিকরা মুখ ফিরিয়ে, সত্য বলায় বহিস্কার” শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয় এবং খবরের জের ধরে ঐ পত্রিকার সম্পাদককে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়া হলে থানায় জিডি করা হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রেসক্লাবের দাখিলকৃত তালিকা অনুযায়ী দেখা যায়, ৫১ জন সাংবাদিকের তালিকায় অনেকেই অসাংবাদিক। জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন প্রেসক্লাব হলে দীর্ঘ ৯ বছর ধরে স্বঘোষিত সাধারন সম্পাদকের নেতৃত্বে কয়েকজন জামায়াত শিবিরের নেতাদের মদদে জবরদখল করে আছেন তিনি। উনার আত্মীয়স্বজন ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বন্ধ, ভূয়া, আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকার নাম ব্যবহার করে প্রেসক্লাবের সদস্য করে প্রকৃত সাংবাদিকদের বঞ্চিত করেছেন।
আরও জানা যায়, ২০০৯ সাল থেকে অবৈধভাবে দখল করে রেখে জামায়াত-শিবিরের দলীয় ক্লাবে পরিনত করেছেন প্রেসক্লাবকে। উল্লেখ্য তিনি গত ২০১৮ সালে ঢাকার পল্টন থানার নাশকতা মামলায় গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন জেল কেটেছেন। সাধারন সম্পাদকের ব্যক্তি মালিকানাধীন ‘দৈনিক সুনামগঞ্জের ডাক’ পত্রিকাটি দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পরও প্রেসক্লাবে নিজের পদ পদবী ধরে রাখতে অসাংবাদিককে পত্রিকার স্টাফ বানিয়ে প্রেসক্লাবের সদস্য করেছেন। ফলে সুনামগঞ্জের প্রকৃত সাংবাদিকরা আলাদা প্রেসক্লাব, রিপোটার্স ইউনিটি, সাংবাদিক ফোরাম, অনলাইন প্রেসক্লাব, ইয়াং জার্নালিষ্ট ফোরাম ও নামে বিভিন্ন সংগঠন তৈরী করে কার্যক্রম চালাচ্ছে। আর এসব সংগঠন থাকার কারণে প্রশাসনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দাওয়াত পাঠাতেও হিমশিম খেতে হয়। অনেকে পত্র না পেয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে মনস্থাত্বিক দ্বন্ধেও জড়িয়ে পড়েন।
দরখাস্তকারী কেএম শহীদুল ইসলাম জানান, আমি প্রেসক্লাবের সদস্য হওয়ার জন্য বার বার দরখাস্ত করেছি কিন্তু প্রেসক্লাবে আমাকে সদস্য করা হয়নি। অথচ অসাংবাদিকদের সদস্য করা হয়েছে। আমি চাই সুনামগঞ্জের সকল সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করে বর্তমান প্রেসক্লাবটি জেলা প্রশাসকের অধীনে রেখে একজন নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত করে জেলায় কর্মরত সক্রিয় সাংবাদিকদের ভোটার তালিকা প্রনয়ন করে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনের মাধ্যমে কার্যকর প্রেসক্লাব গঠনে সক্রিয় গণমাধ্যমকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হউক। গত কিছুদিন ধরে সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাব ও একটি দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকের মধ্যে কাদাঁছুড়াছুড়ি নিয়ে সচেতন মহলে সাংবাদিকদের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। এ নিয়ে যে কোন সময় গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)শরীফুল ইসলাম জানান, দরখাস্ত পাইনি আসলে তদন্তপূর্বক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

শেয়ার করুন
  • 46
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
©সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT