গৌরারং ইউনিয়নে শিক্ষার্থীর উপর বর্বর হামলার প্রতিবাদ ও সুষ্ঠ বিচারের দাবিতে মানবন্ধন

0
434

স্টাফ রিপোর্টার: স্কুল শিক্ষর্থী ছদরুল আলম এর উপর বর্বর হামলার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে পুরো এলাকাবাসী। এলাকাবাসী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে ২৬ সেপ্টেম্বর বেলা ২টায় বিদ্যালয়ের পাশ্ববর্তী সুনামগঞ্জ-সাচনা বাজার রোডে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাজী আব্দুল মালিক এর সভাপতিত্বে মাববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আক্তার হোসেন, প্রধান শিক্ষক আকিকুর রহমান, শাহ ফজলুল হক, সেলিম আহমদ, ফখরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী মইনুল হক, নুর আহমদ, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদ উদ্দিন আহমদ মমিন প্রমুখ। বক্তারা শিক্ষার্থী ছদরুল আলম এর উপর এহেন বর্বর হামলার বিচার দাবী করেন। এই বিষয়ে সুনামগঞ্জে সদর মডেল থানায একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের কতৃপক্ষ।
উল্লেখ্য,সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের হাজী আব্দুস সাত্তার এন্ড মরিয়ম নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছদরুল আলম কে পিটিয়ে জখম করেছে বখাটে সিতারা (৪৫)। সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের হবতপুর গ্রামের আশরাফ আলীর পুত্র ছদরুল আলম। সে ঐ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণীতে পড়াশোনা করে। একই গ্রামের মৃত লিয়াকত আলীর পুত্র সিতারা মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে ছদরুল আলমের সাথে ঝগড়া করে ১৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার। দুইজনের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছদরুল আলমকে দৌড়াইয়ে নিয়ে যায়। ছদরুল আলম প্রাণের ভয়ে গ্রামের এক দোকানে গিয়ে আশ্রয় নেয়। পরবর্তী দিন ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার ছদরুল আলম বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য রওয়ানা হয়। সিতারা মিয়া পরিকল্পিতভাবে তাকে পথিমধ্যে আটকে রেখে তার হাতে থাকা রড দিয়ে বেধরক মারধর করে। মারধরের এক পর্যায়ে এলাকার লোকজন তাকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ৪ দিন হাপাতালে থাকার পর ডাক্তার তাকে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। নিরীহ আশরাফ আলী অসহায় নিরুপায় হয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি অবগত করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাৎক্ষনিকভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার কর্মকর্তা বরারবরে লিখিত ও মৌখিকভাবে অবগত করেন ও বিচার প্রার্থী হন। সদর থানা থেকে একটি ফোর্স বাহিনি গিয়ে হবতপুর গ্রামে বিষয়টি তদন্ত করেন। লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের স্থানীয় মেম্বার ফখরুল মিয়া ও হবতপুর গ্রামের গণ্যমাণ্য ব্যক্তিরা বিষয়টি দেখে দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। কিন্তু আজ ৯ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও কোন বিচার পায়নি ছদরুল আলম ও তার পরিবার। সিতারা মিয়া আবার ছদরুল আলমকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। হুমকির ভয়ে সে স্কুলে যেতে পারছে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here