বর্তমান সময়ে শিক্ষাক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়াশীলতার কোন স্থান নেই-পরিকল্পনামন্ত্রী

0
20

স্টাফ রিপোর্টার:: পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেছেন, ‘বর্তমান সময়ে শিক্ষাক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়াশীলতার কোন স্থান নেই। শিক্ষার্থীদের হীনম্মন্যতা পরিহার করে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্ধুদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীদের আগামী দিনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য গড়ে তোলতে হবে’

তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে এখন ঘড়ির কাটায় কাটায় চলতে হয়। একটা সময় এই দেশে ১০টার সভায় প্রধানমন্ত্রী ২টায় আসতেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্ধারিত সময়ের আগেই সভায় চলে আসেন। তাঁর কাছ থেকে নিয়মানুবর্তিতা ও নেতৃত্ব সর্ম্পর্কে শিখতে হবে। তাঁর কাছ থেকে বর্তমান প্রজন্মের শেখার আছে। দেশপ্রেম, নেতৃত্ব, সময়ানুবর্তিতা ও বাঙ্গালীয়ানা বিষয়ে নতুন প্রজন্মকে শিখতে হবে।’

শনিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কলেজের অধ্যক্ষ নীলিমা চন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের হুইপ পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য শামিমা আক্তার খানম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ।

মন্ত্রী বলেন, “শিক্ষায় দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষিতের হার বেড়েছে। স্বাক্ষরাতার হার বেড়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আরো এগিয়ে যাবে। নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যাও।”

সুনামগঞ্জ সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘সুনামগঞ্জ শিক্ষার দিক দিয়ে তলানিতে । প্রধানমন্ত্রী তা জানেন। তিনি ভাটি অঞ্চলে নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণের জন্য আমাকে নির্দেশনা দেন। সুনামগঞ্জে মেডিকেল কলেজ হচ্ছে, প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হবে। ছাতক থেকে ট্রেন সুনামগঞ্জে আসবে। শিক্ষা খাত উন্নয়নে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহন করা হচ্ছে। দেশের উন্নয়নের যাত্রায় সুনামগঞ্জও যাত্রী হবে।’

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষ্যে ছাত্রলীগের উদ্যোগে কলেজ ক্যাম্পাসে গাছের চারা রোপন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।

পরে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের পাঁচতলা বিশিষ্ট নবনির্মিত ছাত্রীনিবাস উদ্বোধন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী। এর আগে কলেজের নবনির্মিত প্রধান ফটকও উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. জিয়াউল হক এই ফটক নির্মাণের ব্যয়ভার বহন করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here