পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি,দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবী

0
100

ভারত পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর একদিনের ব্যবধানে রাজধানীসহ সারা দেশে পেঁয়াজের বাজারে যে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে, তা মূলত অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারসাজি।
তারা সুযোগ বুঝে অতি মুনাফার লোভেই এটা করেছে। জানা গেছে, দেশে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুদ আছে। ভারত ছাড়া আরও কয়েকটি দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কাজেই ভারতের পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর হঠাৎ পেঁয়াজের বাজারে কেন এমন অস্থিরতা সৃষ্টি হল এটাই প্রশ্ন।

দেশের অন্যান্য স্থানের মতো চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারেও পেঁয়াজ নিয়ে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। পেঁয়াজের বাজারের এ অস্থিরতা নতুন নয়। শুধু পেঁয়াজ নয়, অন্যান্য মসলার বাজারদরও মাঝে মাঝে অস্থির হয়ে ওঠে। এতে ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে কারসাজি করে কোনো নিত্যপণ্যের দাম বাড়াতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।
জানা গেছে আমদানিকৃত এসব পেঁয়াজ বাজারে আসতে দু’একদিন সময় লাগতে পারে। এছাড়া আরও দুই দেশে থেকে আমদানিকৃত বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ পথে রয়েছে। আমদানিকৃত পেঁয়াজ যাতে যথাসময়ে এসে পৌঁছায় সেজন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
দাম বাড়লেও পেঁয়াজের উৎপাদকরা তা পান না। পচনশীল হওয়ায় কৃষক পেঁয়াজ জমি থেকে ঘরে তোলার পর তা বিক্রি করে দেন। সারা দেশে কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলে পেঁয়াজের বাজারে আর এমন অস্থিরতা দেখা দেবে না।
পেঁয়াজ ও অন্যান্য মসলার ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব আমদানিনির্ভরতা কমানোর উদ্যোগ নেয়া দরকার। অতি মুনাফার লোভে যারা নিত্যপণ্য মজুদ করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া না হলে মাঝে মাঝে নিত্যপণ্যের বাজারে এমন অস্থিরতা সৃষ্টির আশঙ্কা থেকেই যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here