স্বাস্থ্য ডেস্ক: মানব শরীরের কাঠামো টিকিয়ে রাখতে এবং চলাচল সচল রাখতে হাড়ের ভূমিকা অপরিসীম। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের ঘনত্ব কমতে শুরু করে, যা পরবর্তীতে নানা শারীরিক জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। তাই শুরু থেকেই শরীরের ভিত্তি বা হাড়কে মজবুত ও দৃঢ় রাখা অত্যন্ত জরুরি। সঠিক জীবনধারা এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে হাড়ের এই ক্ষয় রোধ করা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাড়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রধান যে উপাদানটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তা হলো ক্যালসিয়াম। এটি হাড়ের প্রধান গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে এবং হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করে। দুধ, দই, পনিরসহ বিভিন্ন ধরনের সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়, যা নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত।
ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি হাড়ের সুস্থতার জন্য ভিটামিন ডির ভূমিকাও কোনো অংশে কম নয়। এই ভিটামিনটি শরীরকে খাবার থেকে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সহায়তা করে, যা সরাসরি হাড়ের গঠনে কাজে লাগে। সূর্যের আলো ভিটামিন ডির অন্যতম প্রধান উৎস, এছাড়া কিছু সামুদ্রিক মাছ ও ডিমের কুমেও এই পুষ্টি উপাদানটি পাওয়া যায়।
ভিটামিন ও খনিজের পাশাপাশি পর্যাপ্ত আমিষ বা প্রোটিন হাড়ের শক্তি জোগাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। হাড়ের টিস্যু গঠন এবং তা মেরামত করার ক্ষেত্রে আমিষ অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। তাই প্রতিদিনের খাবারে পরিমিত আমিষ, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি নিশ্চিত করার মাধ্যমে হাড়ের দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব।
