পত্রিকা: 'নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার' - New Times পত্রিকা: 'নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার' - New Times

পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’

লেখক/প্রতিবেদকঃ নিউ টাইমস ডেস্ক
প্রকাশঃ অক্টোবর ২৮, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: আসছে নভেম্বর মাসের প্রথম দিন থেকে নতুন বেতন কাঠামো বা পে-স্কেল অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের সম্মানী ও বেতন-ভাতা পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই বাড়তি আর্থিক চাহিদা মেটাতে এবং নির্দিষ্ট সময়ে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতে নতুন স্কেলের অর্থ পৌঁছে দিতে চলতি মাসে ব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত রাজস্ব আয়ে ধীরগতি এবং বাজেটের অতিরিক্ত ব্যয় সামাল দিতেই এই ঋণ নেওয়ার পথ বেছে নিতে হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

নতুন এই পে-স্কেল বাস্তবায়নের ফলে সরকারের পরিচালন ব্যয় এক লাফে অনেকটাই বেড়ে যাবে, যা সামলানো বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সরকারের নীতিনির্ধারকরা এই বাড়তি ব্যয় সংকুলানের জন্য অভ্যন্তরীণ উৎসগুলোর ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন, যার মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নেওয়ার বিষয়টি সবার আগে রয়েছে। এর ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থব্যবস্থায় ব্যাংক ঋণের প্রবাহ এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এদিকে, শুধু অভ্যন্তরীণ আর্থিক ব্যবস্থাপনা নয়, সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমও সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে বিশেষ স্থান দখল করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি কাজের পাশাপাশি উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়গুলোও বেশ জোরালোভাবে সামনে আসছে। বিশেষ করে, দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অংশীদারিত্ব বাড়ানোর উদ্যোগগুলো নিয়ে দেশজুড়ে নানা বিশ্লেষণ চলছে।

সব মিলিয়ে, নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার এই সময়টিতে সরকারি অর্থব্যবস্থা এবং ব্যাংক খাতের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হওয়াটা একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণ চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন স্কেলে বেতন পাওয়ার উচ্ছ্বাস থাকলেও, এর পেছনের অর্থনৈতিক প্রস্তুতি ও ব্যাংক ঋণের বিষয়টি অর্থনীতিবিদদের মাঝে নতুন ভাবনার জন্ম দিয়েছে। সামনের দিনগুলোতে সরকারের রাজস্ব সংগ্রহ এবং ব্যয় সংকোচন নীতি এই পুরো প্রক্রিয়াকে কতটা স্থিতিশীল রাখতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।