বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ কর্মসংস্থান খাতে মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ - New Times বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ কর্মসংস্থান খাতে মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ - New Times

বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ কর্মসংস্থান খাতে মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

লেখক/প্রতিবেদকঃ নিউ টাইমস ডেস্ক
প্রকাশঃ অক্টোবর ২৯, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশের সঙ্গে মালদ্বীপের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনীন রশীদ এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক আস্থা, সৌহার্দ্য এবং অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

সাক্ষাৎকালের একপর্যায়ে হাইকমিশনার মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কাছে শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন এবং এর জবাবে রাষ্ট্রপতিও মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করেন। ঢাকায় একটি বিশেষ বিজনেস সামিট আয়োজনের পরিকল্পনার বিষয়ে হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করলে তিনি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। রাষ্ট্রপতির মতে, এই ধরনের উদ্যোগ উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যকার যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।

মালদ্বীপের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালনকারী লক্ষাধিক প্রবাসী বাংলাদেশির অবদানের কথা স্মরণ করে দেশটির সরকারকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থরক্ষার জন্য জনশক্তি রপ্তানি, পর্যটন শিল্পের বিকাশ, মৎস্য ও মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসাবিদ্যার মতো সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোতে অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার প্রস্তাব করা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশে মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাশাস্ত্রে অধ্যয়নের সুযোগ আগামী দিনেও অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।

আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়, যাতে এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও কার্যকর হয়। এই লক্ষ্য অর্জনে মালদ্বীপের ইতিবাচক ভূমিকা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করা হয়। আলোচনা শেষে উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করে যে, আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব আরও বেশি সুদৃঢ় ও বিস্তৃত হবে।