কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন মজুরি নির্ধারণ করবে মজুরি বোর্ড: প্রধানমন্ত্রী - New Times কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন মজুরি নির্ধারণ করবে মজুরি বোর্ড: প্রধানমন্ত্রী - New Times

কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন মজুরি নির্ধারণ করবে মজুরি বোর্ড: প্রধানমন্ত্রী

লেখক/প্রতিবেদকঃ নিউ টাইমস ডেস্ক
প্রকাশঃ নভেম্বর ৫, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশের খেটে খাওয়া ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নত করার লক্ষ্যে সরকার সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন খাতের শ্রমিকদের জন্য অতি দ্রুত একটি নতুন এবং সময়োপযোগী মজুরি কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মজুরি বোর্ড খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তৈরি করে সরকারের কাছে পেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিগত কয়েক বছর ধরে জীবনযাত্রার ব্যয় যেভাবে বেড়েছে, তার সাথে সামঞ্জস্য রেখেই এই নতুন বেতন স্কেল নির্ধারণ করা হবে।

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং সার্বিক উৎপাদনশীলতা অব্যাহত রাখতে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। বর্তমান সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে বিভিন্ন শিল্প কারখানার মালিকপক্ষ এবং শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সাথে ধারাবাহিক আলোচনা চলছে। সকলের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে শিল্পে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে না।

এর আগে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন এবং বর্তমান বাজারদরের সাথে সংগতি রেখে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর জোরালো দাবি জানানো হয়েছিল। সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনার পর থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো। বিভিন্ন খাতের বর্তমান আর্থিক সক্ষমতা এবং মূল্যস্ফীতির বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই জটিল প্রক্রিয়াটির একটি ইতিবাচক ও স্থায়ী সমাধান আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি আধুনিক ও বাস্তবসম্মত মজুরি কাঠামো দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে এবং দীর্ঘমেয়াদে শিল্প খাতে সুশাসন বজায় রাখতে সহায়তা করবে। শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই এই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করে দেশের শ্রম বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর। সার্বিক এই উদ্যোগে দেশের শ্রমজীবী মানুষ উপকৃত হবে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর একটি সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।