লাইফস্টাইল ডেস্ক: পরিবারে ছোট শিশুদের লালন-পালন করা এবং তাদের আবেগের প্রকাশ সামলানো সবসময় একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে শিশুরা যখন অতিরিক্ত রেগে যায় বা নানা বিষয়ে জেদ ধরতে শুরু করে, তখন অভিভাবকরা অনেক সময় করণীয় ঠিক করতে পারেন না। এই ধরনের পরিস্থিতিতে ধৈর্যহারা না হয়ে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়। […]
লাইফস্টাইল ডেস্ক: পরিবারে ছোট শিশুদের লালন-পালন করা এবং তাদের আবেগের প্রকাশ সামলানো সবসময় একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে শিশুরা যখন অতিরিক্ত রেগে যায় বা নানা বিষয়ে জেদ ধরতে শুরু করে, তখন অভিভাবকরা অনেক সময় করণীয় ঠিক করতে পারেন না। এই ধরনের পরিস্থিতিতে ধৈর্যহারা না হয়ে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়। অন্যথায় শিশুর ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।
শিশুর জেদ ও ক্ষোভ কমানোর প্রাথমিক শর্ত হলো তার সঙ্গে সবসময় কোমল ও স্নেহের সুরে কথা বলা। তবে একই সঙ্গে ঘরের কিছু নিয়মের ব্যাপারে অভিভাবকদের বেশ দৃঢ় মনোভাব বজায় রাখতে হবে। নিয়ম শিথিল করলে শিশু বুঝতে শেখে যে কান্নাকাটি বা জিদ করলেই নিজের ইচ্ছেমতো সবকিছু পাওয়া সম্ভব। তাই ভালোবাসা প্রকাশের পাশাপাশি শৃঙ্খলার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে সমানভাবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শিশু ঠিক কী কারণে হঠাৎ রেগে গেল বা বিরক্ত হলো তার অন্তর্নিহিত কারণ খোঁজার চেষ্টা করা। অনেক সময় শিশুরা নিজেদের চাহিদা বা মনের ভাব সঠিকভাবে প্রকাশ করতে না পেরে ক্ষোভের আশ্রয় নেয়। তাদের এই না বলা কথাগুলো বোঝার চেষ্টা করলে এবং তাদের অনুভূতির মূল্যায়ন করলে জেদের মাত্রা অনেকটাই কমে আসে।
অভিভাবকদের মনে রাখতে হবে যে, শিশুর আচরণ পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি রাতারাতি ঘটে না। এর জন্য নিয়মিত চর্চা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার প্রয়োজন হয়। ইতিবাচক উপায়ে শিশুকে বোঝাতে পারলে সে ধীরে ধীরে নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে এবং মানসিকভাবে আরও বেশি সুস্থ ও স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।