আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আরোপ করা বিশেষ পরিচালনাগত বিধিনিষেধের কারণে আকাশপথে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটেছে। দেশটির বিমানবন্দরে আকস্মিক এই নিয়মকানুনের জেরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বিমান সংস্থার মোট ১২৬টি ফ্লাইটের নির্ধারিত সূচি ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে পূর্বনির্ধারিত যাত্রা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রায় ১৯ হাজার ৩৭৭ জন বিমানযাত্রী। হঠাৎ করে ফ্লাইট […]
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আরোপ করা বিশেষ পরিচালনাগত বিধিনিষেধের কারণে আকাশপথে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটেছে। দেশটির বিমানবন্দরে আকস্মিক এই নিয়মকানুনের জেরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বিমান সংস্থার মোট ১২৬টি ফ্লাইটের নির্ধারিত সূচি ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে পূর্বনির্ধারিত যাত্রা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রায় ১৯ হাজার ৩৭৭ জন বিমানযাত্রী। হঠাৎ করে ফ্লাইট চলাচলে এমন জটিলতা তৈরি হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা লক্ষ্য করা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত মোট ফ্লাইটের মধ্যে সরাসরি ও ট্রানজিট উভয় ক্যাটাগরির বিমান রয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি পরিচালিত ফ্লাইটের সংখ্যা ৫৯টি এবং বিভিন্ন দেশ ঘুরে যাওয়া ট্রানজিট ফ্লাইটের সংখ্যা ৬৭টি। সরাসরি প্রভাবিত হওয়া ফ্লাইটের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে দেশের পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এবং সৌদিয়া। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এবং রিয়াদ এয়ারের নির্ধারিত ফ্লাইটগুলোও এই পরিচালনাগত জটিলতার বাইরে ছিল না।
অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের ক্ষেত্রে বিশ্বের নামী দামি বেশ কয়েকটি বিমান সংস্থার কার্যক্রম বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। এই তালিকায় ইন্ডিগো, এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ, সালামএয়ার, ফ্লাইদুবাই, এয়ার ইন্ডিয়া এবং ইজিপ্টএয়ারের একাধিক ফ্লাইট রয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী এই বিমানগুলোর সূচি পরিবর্তিত হওয়ায় যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি হয়েছে। অনেকেই বিমানবন্দরগুলোতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পাশাপাশি ট্রানজিট সংযোগ হারানোর মতো সমস্যায় পড়েছেন।
সৌদি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের এই আকস্মিক বিধিনিষেধের কারণে যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনা পুরোপুরি ওলটপালট হয়ে গেছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং নিজ নিজ গন্তব্যে নির্বিঘ্নে পৌঁছাতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোর কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বিমানবন্দরে রওনা হওয়ার আগে ফ্লাইটের সর্বশেষ সময়সূচি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিতে যাত্রীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে এভিয়েশন সংশ্লিষ্টরা।