রাজনীতি ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে মন্ত্রিসভা থেকে তাঁর বিদায় নিশ্চিত হলো। এর ফলে বর্তমান সরকারে প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা কমে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীসহ পূর্ণ মন্ত্রীর সংখ্যা রয়েছে ২৭ জন। উল্লেখ্য, এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক […]
রাজনীতি ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে মন্ত্রিসভা থেকে তাঁর বিদায় নিশ্চিত হলো। এর ফলে বর্তমান সরকারে প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা কমে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীসহ পূর্ণ মন্ত্রীর সংখ্যা রয়েছে ২৭ জন। উল্লেখ্য, এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বর্তমান আট মাসের মেয়াদী সরকারের মন্ত্রিসভা থেকে দুজন পূর্ণমন্ত্রী পদত্যাগ করেছিলেন।
এর আগে ঢাকায় অস্ত্র উঁচিয়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জেরে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। সম্প্রতি রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় একটি মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে তিনি প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ধরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গনসহ দেশজুড়ে তীব্র অসন্তোষ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এই ঘটনার জেরে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে ডেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার পরপরই জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন ডেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনের পরদিন নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে তাঁর লিখিত পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হয় এবং রাষ্ট্রপতি তা গ্রহণ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে ইশরাক হোসেন দাবি করেন যে আত্মরক্ষার স্বার্থেই তিনি ওই সময় অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন এবং কোনো আইন অমান্য করেননি। তবে দলের ভাবমূর্তি ও সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখতে তিনি স্বেচ্ছায় এই পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। মন্ত্রিত্ব হারালেও একজন সাধারণ দলীয় কর্মী হিসেবে মাদকের বিরুদ্ধে তাঁর সামাজিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।